Skip to content
Bangladesh-NGO.png Bangladesh-NGO.png Bangladesh NGO

বাংলাদেশের সকল এনজিও সংক্রান্ত তথ্য

Bangladesh-NGO.png Bangladesh-NGO.png Bangladesh NGO

বাংলাদেশের সকল এনজিও সংক্রান্ত তথ্য

  • হোম
  • এনজিও লোন পদ্ধতি
  • বাংলাদেশের এনজিও আইন
  • সাধারন জিজ্ঞাসা
  • পৃষ্ঠা সমূহ
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • নীতিমালা
    • ডিসক্লেইমার
    • ডিএমসিএ
  • হোম
  • এনজিও লোন পদ্ধতি
  • বাংলাদেশের এনজিও আইন
  • সাধারন জিজ্ঞাসা
  • পৃষ্ঠা সমূহ
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • নীতিমালা
    • ডিসক্লেইমার
    • ডিএমসিএ
নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসায় এনজিও ঋণ.png
এনজিও লোন পদ্ধতি

নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসায় এনজিও ঋণ প্রদান করে কোন এনজিও

সুবর্ণা পারভীন
By সুবর্ণা পারভীন
September 16, 2026

বাংলাদেশে অনেক নারী ঘরে বসে পোশাক তৈরি, সেলাই, হাঁস-মুরগি পালন, গবাদিপশু পালন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মুদি দোকান, খাবারের ব্যবসা, হস্তশিল্প, অনলাইনভিত্তিক পণ্য বিক্রি কিংবা ছোট উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে চান। ব্যবসা শুরু বা বড় করার সময় মূলধনের ঘাটতি একটি বাধা হতে পারে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে ঋণের ধরন অনুযায়ী পরিচয়পত্র, আয়ের তথ্য, ব্যবসার কাগজপত্র বা জামানতসহ বিভিন্ন শর্ত থাকতে পারে। এ কারণে কিছু ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা এনজিওভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির তথ্য খোঁজেন।

বাংলাদেশে ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস এবং শক্তি ফাউন্ডেশনসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য ঋণসেবা পরিচালনা করছে। তবে সব প্রতিষ্ঠানের ঋণের পরিমাণ, কিস্তি, সদস্য হওয়ার নিয়ম এবং ব্যবসা যাচাইয়ের পদ্ধতি এক নয়। তাই শুধু কোন এনজিও ঋণ দেয় তা জানলেই হবে না; নিজের ব্যবসার নগদ আয়, কিস্তি দেওয়ার সক্ষমতা এবং প্রকৃত মূলধনের চাহিদার সঙ্গে ঋণটি মানানসই কি না সেটিও বুঝতে হবে।

ক্ষুদ্রঋণ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির প্রকাশিত বার্ষিক পরিসংখ্যানে নারী গ্রাহকের উচ্চ অংশগ্রহণের চিত্র দেখা যায়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের ৩০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত তথ্যে তাদের অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর ১ কোটি ৬৭ লাখ ঋণগ্রহীতার মধ্যে ১ কোটি ৫৭ লাখ নারী, যা ৯৪.০১ শতাংশ।

নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ব্র্যাকের ঋণ

ব্র্যাক বাংলাদেশের অন্যতম বড় ক্ষুদ্রঋণ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে তাদের ঋণের ৮৯ শতাংশই নারী গ্রহণ করেছেন। নারীদের জন্য দলভিত্তিক জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণের পাশাপাশি ছোট ব্যবসার জন্য পৃথক উদ্যোগ ঋণও রয়েছে। সেলাই, পোশাক তৈরি, দোকান, উৎপাদন, কৃষি বা অন্যান্য বৈধ আয়মূলক কাজে অর্থের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্র্যাক ক্ষুদ্রঋণ শাখায় বর্তমান পণ্য ও যোগ্যতার তথ্য জানা যেতে পারে।

ব্র্যাক ক্ষুদ্রঋণের পাশাপাশি ছোট উদ্যোগের জন্যও ঋণপণ্য পরিচালনা করে। কোন ঋণপণ্য প্রযোজ্য হবে এবং কত টাকা অনুমোদিত হতে পারে, তা ব্যবসার ধরন, আয়, পূর্বের লেনদেন, ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির বর্তমান শর্তের ওপর নির্ভর করতে পারে।

আশা থেকে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ

আশার ২০২৩–২৪ অর্থবছরের প্রতিবেদনে মোট ৬০ লাখ ঋণগ্রহীতার মধ্যে প্রায় ৫৪ লাখ নারী ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ ক্ষুদ্রঋণ বিভাগে এক লাখ টাকার নিচের ঋণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ বিভাগে এক লাখ টাকা বা তার বেশি অর্থায়নের তথ্য রয়েছে। ফলে খুব ছোট ব্যবসার পাশাপাশি কিছুটা প্রতিষ্ঠিত ক্ষুদ্র উদ্যোগের অর্থায়নেও আশা একটি সম্ভাব্য উৎস হতে পারে।

তবে ব্যবসা শুরু করলেই নির্দিষ্ট অঙ্কের ঋণ পাওয়া যাবে এমন নিশ্চয়তা নেই। স্থানীয় শাখা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা, ব্যবসা, পরিবারের আয় এবং পরিশোধক্ষমতা যাচাই করে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারে।

বুরো বাংলাদেশ থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসার ঋণ

বুরো বাংলাদেশ সাধারণ ক্ষুদ্রঋণ, কৃষি ঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগভিত্তিক অর্থায়নসহ বিভিন্ন ঋণসেবা পরিচালনা করে। ব্যবসা বা আয়মূলক কাজে কোন ঋণপণ্য প্রযোজ্য হবে এবং কত টাকা পাওয়া যেতে পারে, তা আবেদনকারীর যোগ্যতা, ব্যবসার ধরন এবং সংশ্লিষ্ট শাখার বর্তমান নিয়মের ওপর নির্ভর করতে পারে।

বুরো বাংলাদেশ থেকে ঋণ নেওয়ার আগে সদস্যপদ, সঞ্চয়, সার্ভিস চার্জ, কিস্তির ধরন, মোট পরিশোধযোগ্য টাকা এবং প্রযোজ্য অন্য কোনো খরচ আছে কি না লিখিতভাবে জেনে নিন। পুরোনো প্রচারপত্র বা তৃতীয় পক্ষের তথ্যের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট শাখার হালনাগাদ তথ্যকে অগ্রাধিকার দিন।

টিএমএসএসের নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্রঋণ সুবিধা

টিএমএসএস মূলত নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন সংস্থা এবং এর ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির ঘোষিত লক্ষ্য দরিদ্র ও অতিদরিদ্র নারীদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়ন করা। প্রতিষ্ঠানটি জাগরণ, অগ্রসর, বুনিয়াদ ও সুফলনসহ বিভিন্ন ধরনের ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করে। আয়মূলক কাজ সৃষ্টি, বিদ্যমান ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তোলার জন্য এসব কর্মসূচি ব্যবহৃত হয়।

টিএমএসএসের কোন কর্মসূচিতে একজন নারী উদ্যোক্তা কত টাকা পেতে পারেন, সেটি অঞ্চল, ব্যবসার পর্যায় ও বর্তমান কর্মসূচির নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই পুরোনো অনলাইন তথ্যের ওপর নির্ভর না করে আবেদনকালে সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে বর্তমান সীমা ও পরিশোধসূচি নিশ্চিত করা উচিত।

শক্তি ফাউন্ডেশনের নারী-কেন্দ্রিক জাগরণ ঋণ

নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য একটি কর্মসূচি হলো শক্তি ফাউন্ডেশনের জাগরণ ঋণ। প্রতিষ্ঠানটির ২০২৪–২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রথমবারের যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের জন্য এই জামানতবিহীন ঋণের পরিমাণ ৩০,০০০ থেকে ৯৯,৯৯৯ টাকা এবং এটি সর্বোচ্চ ১২ মাসের মধ্যে পরিশোধযোগ্য। মূলধারার ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ নিতে পারেন না এমন নারী ও স্বল্প আয়ের মানুষের আয়মূলক কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।

ব্যবসা বড় হলে শক্তি ফাউন্ডেশনের অন্যান্য ক্ষুদ্র উদ্যোগভিত্তিক ঋণপণ্য সম্পর্কে তথ্য নেওয়া যেতে পারে। বড় অঙ্কের অর্থায়নের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, পূর্বের ঋণ ব্যবস্থাপনা, ব্যবসার অবস্থা এবং পরিশোধক্ষমতা যাচাই করা হতে পারে।

কোন এনজিও থেকে ঋণ নেবেন তা কীভাবে ঠিক করবেন?

ঋণের সর্বোচ্চ অঙ্কের চেয়ে কিস্তি দেওয়ার বাস্তব সক্ষমতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। উদাহরণ হিসেবে, ব্যবসার সব খরচ বাদ দেওয়ার পর মাসে ১২ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকলে এমন কিস্তি নেওয়া ঠিক হবে না যা সেই অর্থের বড় অংশ শেষ করে দেয়। এতে পণ্য কেনা, জরুরি খরচ এবং ব্যবসায় পুনঃবিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ নাও থাকতে পারে।

আবেদনের আগে অন্তত তিনটি বিষয় লিখে হিসাব করা ভালো: ব্যবসায় এখন কত মূলধন আছে, নতুন করে ঠিক কত টাকা দরকার এবং ঋণ নেওয়ার পর মাসে বা সপ্তাহে সর্বোচ্চ কত টাকা কিস্তি দেওয়া নিরাপদ। এরপর দুই বা তিনটি সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মোট পরিশোধযোগ্য টাকা ও কিস্তির সময়সূচি তুলনা করলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

ঋণ নেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করবেন

  • প্রতিষ্ঠানটির মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির বৈধ সনদ আছে কি না যাচাই করুন।
  • ঋণের মূল টাকা ছাড়াও মোট কত টাকা ফেরত দিতে হবে তা লিখিতভাবে জানুন।
  • কিস্তি সাপ্তাহিক, পাক্ষিক নাকি মাসিক সেটি ব্যবসার আয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
  • সদস্যপদ, সঞ্চয় বা অন্য কোনো অনুমোদিত অর্থ জমা দিতে হলে তার নিয়ম বুঝে নিন।
  • ঋণ নেওয়ার উদ্দেশ্য ব্যবসার বাইরে অন্য খরচে ব্যবহার না করাই নিরাপদ।
  • একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে একই সময়ে ঋণ নিয়ে অতিরিক্ত কিস্তির চাপ সৃষ্টি করা এড়িয়ে চলুন।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির প্রকাশিত গ্রাহক নির্দেশনায় সাধারণ ক্ষুদ্রঋণের সেবা মূল্য ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে হিসাব করার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই শুধু শতকরা হার শুনে সিদ্ধান্ত না নিয়ে কিস্তিসহ মোট কত টাকা ফেরত দিতে হবে সেটি পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া বেশি কার্যকর। ক্ষুদ্রঋণ সংক্রান্ত তথ্য বা অভিযোগের ক্ষেত্রে এমআরএর ১৬১৩৩ নম্বরের হটলাইনও রয়েছে।

নারীদের কোন ধরনের ব্যবসায় এনজিও ঋণ কাজে লাগতে পারে?

সেলাই ও পোশাক তৈরি, বিউটি সেবা, মুদি বা ছোট দোকান, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালন, মাছ চাষ, সবজি উৎপাদন, খাবার তৈরি, হস্তশিল্প, নার্সারি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অনলাইনে পণ্য বিক্রির মতো বৈধ আয়মূলক কাজে ক্ষুদ্রঋণ ব্যবহার করা যেতে পারে। ঋণের অর্থ ব্যবহারের আগে উদ্যোক্তার দক্ষতা, বাজারের চাহিদা, সম্ভাব্য খরচ এবং বিক্রির বাস্তব সুযোগ বিবেচনা করা দরকার।

নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসার এনজিও ঋণ নিয়ে ১০টি প্রশ্ন ও উত্তর

১. নারীদের ব্যবসার জন্য কোন কোন এনজিও ঋণ দেয়?

বাংলাদেশে ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস এবং শক্তি ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন করে। তবে সব প্রতিষ্ঠানের সব শাখায় একই ঋণপণ্য নাও থাকতে পারে। তাই নিজের এলাকার শাখায় বর্তমান কর্মসূচি যাচাই করা প্রয়োজন।

২. নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য এনজিও ঋণ পাওয়া যায় কি?

কিছু ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে নতুন আয়মূলক কাজের জন্য অর্থায়নের সুযোগ থাকতে পারে, আবার কিছু ক্ষুদ্র উদ্যোগ ঋণে আগে থেকে ব্যবসা পরিচালনার তথ্য বা অভিজ্ঞতা চাওয়া হতে পারে। যোগ্যতা ও ঋণের অঙ্ক প্রতিষ্ঠান এবং কর্মসূচিভেদে আলাদা হওয়ায় আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট শাখার বর্তমান শর্ত যাচাই করুন।

৩. জামানত ছাড়া নারী উদ্যোক্তা ঋণ পাওয়া সম্ভব কি?

হ্যাঁ, অনেক ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি প্রচলিত ব্যাংক জামানত ছাড়াই পরিচালিত হয়। উদাহরণ হিসেবে শক্তি ফাউন্ডেশনের জাগরণ ঋণ জামানতবিহীন এবং ব্র্যাকও নারীদের জন্য জামানতবিহীন দলভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনার তথ্য প্রকাশ করেছে। অন্যান্য যোগ্যতা অবশ্যই প্রযোজ্য হতে পারে।

৪. এনজিও থেকে সর্বোচ্চ কত টাকা ঋণ পাওয়া যায়?

এর একক উত্তর নেই। নতুন ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতার অঙ্ক তুলনামূলক কম হতে পারে, আর প্রতিষ্ঠিত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বেশি অর্থায়নের জন্য বিবেচিত হতে পারেন। ব্যবসা, আয়, আগের ঋণ ইতিহাস এবং পরিশোধক্ষমতার ওপর অনুমোদিত অঙ্ক নির্ভর করে।

৫. ঋণ পাওয়ার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে?

সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি, ঠিকানার তথ্য, মোবাইল নম্বর এবং ব্যবসা বা আয়মূলক কাজের বিবরণ চাওয়া হতে পারে। বড় উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যবসার কাগজপত্র বা অতিরিক্ত তথ্য লাগতে পারে। প্রতিষ্ঠানভেদে তালিকা আলাদা হওয়ায় শাখা থেকে বর্তমান তালিকা নেওয়া উচিত।

৬. স্বামী বা পরিবারের অনুমতি ছাড়া নারী ঋণ নিতে পারবেন কি?

এ বিষয়ে একেক প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ ও যাচাই পদ্ধতি আলাদা হতে পারে। আবেদনকারীর কাছ থেকে কী কী তথ্য বা নথি প্রয়োজন এবং পরিবারের কোনো সদস্যের তথ্য বা সম্মতি বাধ্যতামূলক কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শাখা থেকে লিখিতভাবে জেনে নিন।

৭. অনলাইন ব্যবসার জন্য এনজিও ঋণ পাওয়া যায় কি?

অনলাইনভিত্তিক বৈধ পণ্য বা সেবা ব্যবসার জন্য কিছু ক্ষুদ্রঋণ বা ক্ষুদ্র উদ্যোগ ঋণ প্রযোজ্য হতে পারে। আবেদনকারীর ব্যবসার বাস্তবতা, বিক্রির তথ্য, আয় এবং পরিশোধক্ষমতা যাচাই করা হতে পারে। অনলাইন ব্যবসার জন্য আলাদা কোনো ঋণপণ্য আছে কি না সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বর্তমান তথ্য থেকে নিশ্চিত করুন।

৮. ঋণ নেওয়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসাব কোনটি?

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ঋণের কারণে ব্যবসায় কত বাড়তি আয় হবে এবং সেই আয় থেকে কিস্তি দেওয়া সম্ভব কি না। মাসিক বিক্রয়কে লাভ ধরে নেওয়া যাবে না। পণ্য কেনা, পরিবহন, ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত উদ্বৃত্ত থেকে কিস্তির সক্ষমতা হিসাব করতে হবে।

৯. একই সময়ে দুইটি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া কি ভালো?

একাধিক ঋণ থাকলে মোট কিস্তির চাপ দ্রুত বেড়ে যেতে পারে এবং একটি ঋণের কিস্তি দিতে অন্য ঋণ নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই বিদ্যমান সব ঋণ ও কিস্তি গোপন না করে নতুন ঋণ নেওয়ার আগে মোট পরিশোধক্ষমতা হিসাব করা জরুরি।

১০. এনজিও ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতারণা থেকে কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?

প্রথমে এমআরএর সনদ যাচাই করুন এবং অফিস বা অনুমোদিত কর্মীর বাইরে কাউকে নগদ অর্থ দেবেন না। প্রতিটি জমার রসিদ বা পাশবইয়ের নথি সংরক্ষণ করুন। কোনো শর্ত অস্পষ্ট হলে লিখিত ব্যাখ্যা চান। সন্দেহ হলে এমআরএর তথ্য ও অভিযোগ ব্যবস্থার সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

উপসংহার

নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস ও শক্তি ফাউন্ডেশনসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের সুযোগ রয়েছে। তবে সবার জন্য একই প্রতিষ্ঠান বা একই ঋণ উপযুক্ত নয়। ব্যবসার প্রকৃত মূলধনের চাহিদা, কিস্তি দেওয়ার সক্ষমতা, ঋণের মোট ব্যয় এবং প্রতিষ্ঠানের বৈধতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনায় নেওয়া ঋণ ব্যবসার মূলধন বাড়াতে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু আয়ের তুলনায় বেশি ঋণ নিলে সেটিই উল্টো আর্থিক চাপের কারণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন, ব্র্যাক, আশা, টিএমএসএস, বুরো বাংলাদেশ ও শক্তি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত তথ্য।

🔥 Recommended For You

এনজিও রেজিস্ট্রেশন: সমাজসেবা, যুব উন্নয়ন ও এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো
এনজিও রেজিস্ট্রেশন: সমাজসেবা, যুব উন্নয়ন ও এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো
বুরো বাংলাদেশ এনজিও থেকে প্রবাসী লোন পাওয়ার উপায়
বুরো বাংলাদেশ এনজিও থেকে প্রবাসী লোন পাওয়ার উপায়
সুবর্ণা পারভীন
Author

সুবর্ণা পারভীন

সুবর্ণা পারভীন একজন তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট রাইটার ও গবেষক। তিনি বাংলাদেশের এনজিও, শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং জনসচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। নির্ভরযোগ্য তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি এই সাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্যসমৃদ্ধ ও গবেষণাধর্মী নিবন্ধ প্রকাশ করছেন।

Follow Me
Other Articles
বিধবা ও দুস্থ নারীদের এনজিও সহায়তা.png
Previous

বিধবা ও দুস্থ নারীদের এনজিও সহায়তা করে কোন এনজিও

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসায় এনজিও ঋণ প্রদান করে কোন এনজিও
  • বিধবা ও দুস্থ নারীদের এনজিও সহায়তা করে কোন এনজিও
  • নারীদের সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ দেয় কোন এনজিও
  • গ্রামীণ নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ দেয় কোন কোন এনজিও?
  • নারীর ক্ষমতায়নে এনজিওর ভূমিকা কী?
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
« Aug    
ডিসক্লেইমারঃ আমরা কোনো এনজিও বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নই। এই সাইটের তথ্যগুলো কেবল আমরা আপনাদের জন্য সাধারণ সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি করি।
Copyright 2026 — Suggestionworld24.com. All Rights Reserved.