এনজিওর গঠনতন্ত্র তৈরির নিয়ম কি?
একটি এনজিও প্রতিষ্ঠার সময় নাম নির্বাচন, সদস্য সংগ্রহ বা নিবন্ধনের আবেদন যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো একটি সঠিক ও বাস্তবসম্মত গঠনতন্ত্র তৈরি করা। গঠনতন্ত্র শুধু নিবন্ধনের সঙ্গে জমা দেওয়ার একটি কাগজ নয়। সংস্থার উদ্দেশ্য কী হবে, কে
এনজিওর বার্ষিক অডিট ও রিপোর্ট জমা
বাংলাদেশে একটি এনজিও পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু সামাজিক বা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করাই যথেষ্ট নয়। অর্থ কোথা থেকে এসেছে, অনুমোদিত খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থের প্রবাহ ঠিক আছে কি না এবং প্রকল্পের ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী কার্যক্রম হয়েছে
এনজিও ব্যুরোর অনুমোদন পাওয়ার নিয়ম
বাংলাদেশে কোনো সংস্থা যদি বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ করে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চায়, তাহলে শুধু একটি সাধারণ সংগঠন হিসেবে নিবন্ধিত থাকাই যথেষ্ট নয়। বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ ও সেই অর্থে প্রকল্প পরিচালনার জন্য এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর নিবন্ধন এবং
গৃহকর্মে নিয়োজিত নারীদের এনজিও সুবিধা দেয় কোন প্রতিষ্ঠানগুলো?
বাংলাদেশে বহু নারী রান্না, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তির দেখাশোনা এবং অন্যান্য গৃহস্থালি কাজে যুক্ত থেকে আয় করেন। দীর্ঘদিন গৃহকর্ম মূলত অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের অংশ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় লিখিত কর্মশর্ত, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, ছুটি, নিরাপদ
নারীদের সঞ্চয় ও দলগত ঋণ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য
বাংলাদেশে নারীদের আর্থিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ক্ষেত্রে সঞ্চয় এবং দলগত ঋণ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও নিম্ন আয়ের পরিবারের অনেক নারী প্রচলিত ব্যাংকের জামানত, আয়ের প্রমাণ বা অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে না পারলেও
নারীদের জামানতবিহীন ঋণ দেয় যেসব এনজিও
নিজের ছোট ব্যবসা শুরু করা, চলমান ব্যবসার পুঁজি বাড়ানো, কৃষি বা গবাদিপশু পালন, সেলাই, হস্তশিল্প কিংবা পরিবারের আয়বর্ধক কোনো কাজে অর্থের প্রয়োজন হলে অনেক নারী প্রথমেই ব্যাংক ঋণের কথা ভাবেন। কিন্তু নিয়মিত আয়, সম্পত্তির দলিল, জামানত বা ব্যাংকিং ইতিহাস না
এনজিও ঋণে নারীদের বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয় কেন?
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গ্রাম ও শহরতলিতে ক্ষুদ্র ব্যবসা, গবাদিপশু পালন, হাঁস-মুরগি, কৃষি সহায়ক কাজ, হস্তশিল্প এবং পারিবারিক আয়ের ছোট উদ্যোগে অর্থায়নের জন্য বহু নারী এনজিওভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণ ব্যবহার করেন। এর
বাংলাদেশে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা এনজিও কোনগুলো?
বাংলাদেশে নারীস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা এনজিও খুঁজতে গেলে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার: সব প্রতিষ্ঠান একই ধরনের সেবা দেয় না। কেউ মাতৃস্বাস্থ্য ও নিরাপদ প্রসব নিয়ে কাজ করে, কেউ পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজননস্বাস্থ্য, কেউ জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার পরীক্ষায়
নির্যাতিত নারীদের নিয়ে কাজ করে যেসব এনজিও
নারীর প্রতি নির্যাতন শুধু শারীরিক আঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানসিক নির্যাতন, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, পারিবারিক সহিংসতা, যৌতুকের চাপ, হয়রানি, জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণ, পাচার এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে হয়রানির মতো ঘটনাও একজন নারীর নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনকে
নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসায় এনজিও ঋণ প্রদান করে কোন এনজিও
বাংলাদেশে অনেক নারী ঘরে বসে পোশাক তৈরি, সেলাই, হাঁস-মুরগি পালন, গবাদিপশু পালন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মুদি দোকান, খাবারের ব্যবসা, হস্তশিল্প, অনলাইনভিত্তিক পণ্য বিক্রি কিংবা ছোট উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে চান। ব্যবসা শুরু বা বড় করার সময় মূলধনের