বাংলাদেশে এনজিও নিবন্ধন করার সঠিক নিয়ম: ফর্ম সংগ্রহ থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন (বাস্তব অভিজ্ঞতা)
বাংলাদেশে একটি এনজিও (অলাভজনক সংস্থা) নিবন্ধন করা কোনো সহজ ব্যাপার নয়। আমি নিজে এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছি, এবং সত্যি বলতে, বেশিরভাগ গাইডলাইন পুরনো বা অসম্পূর্ণ। যেমন: অনেকে বলেন, “শুধু ফর্ম পূরণ করলেই হবে।” আমি একমত নই। কারণ এখানে জড়িত
বৈদেশিক অনুদান আইন ২০১৬: এনজিওর বিদেশী ফান্ড আনার আইনি জটিলতা এড়াবেন যেভাবে
বাংলাদেশে এনজিও সেক্টরটা যতটা স্বচ্ছ বলে প্রচার করা হয়, বাস্তবতা কিন্তু অনেক জটিল। বিদেশী ফান্ড আনা মানেই যেন এক অদৃশ্য দেয়ালে ঠোক্কর খাওয়া। আমি নিজে গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে স্টাডি করে দেখলাম জটিলতার মূল কোথায়। এক নম্বর সমস্যা
NGOAB গাইডলাইন: FD-6 এবং FD-7 ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ ও অনুমোদনের সম্পূর্ণ চেকলিস্ট
আমি সম্প্রতি NGOAB এর ফাইলিং প্রক্রিয়াটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। আসলে, প্রথম দর্শনে মনে হতে পারে এটি রুটিন কাজ। কিন্তু এখানে ফাঁদ আছে। বহু সংস্থাই এই ফর্ম জমা দিয়ে মাসের পর মাস অপেক্ষা করে। কেন? কারণ তারা জানে না কোথায় ভুল করছে। আমি নিজে ডজনখানেক
বার্ষিক অডিট রিপোর্ট জমা না দিলে কী হয়? এনজিওর আইনি শাস্তি ও সুরক্ষার উপায়
বাংলাদেশে এনজিও খাতটি বিশাল। সরকারি নথি অনুযায়ী, এ দেশে নিবন্ধিত এনজিওর সংখ্যা প্রায় ২৫০০ ছোটবড় মিলিয়ে। তবুও বার্ষিক অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে অনেকের মধ্যে অবহেলা রয়েছে। আমি নিজে কয়েকটি ছোট এনজিওর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। সেখানেই
এনজিওর ট্যাক্স ও ভ্যাট মওকুফ সার্টিফিকেট পাওয়ার উপায়: NBR-এর আইনি ধাপসমূহ
দেশের অলাভজনক সংগঠনগুলোর জন্য কর ও ভ্যাট মওকুফ সার্টিফিকেট পাওয়া মানে স্বপ্নপূরণের প্রথম সোপান। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) জটিল প্রক্রিয়া পেরুতে গিয়ে কতজন জানেন সঠিক পথটা কী? আমি নিজে গত কয়েক মাসের নিয়ম-নীতি খুঁটিয়ে দেখলাম। দেখা গেল, অনেক এনজিওই
সোসাইটি নাকি ট্রাস্ট অ্যাক্ট? আপনার এনজিওর জন্য কোন আইনে নিবন্ধন করা সেরা সিদ্ধান্ত?
এনজিও প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন? তাহলে একটা বড় প্রশ্নের মুখে আপনি অবশ্যই পড়বেন সোসাইটি নাকি ট্রাস্ট? দুটো আইন, দুটো পথ, কিন্তু আপনার জন্য কোনটা সেরা? আমি নিজে সম্প্রতি কয়েক ডজন নিবন্ধিত এনজিওর তথ্য স্টাডি করে দেখেছি, বিভিন্ন আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞের সাথে
MRA লাইসেন্স পাওয়ার শর্তাবলী: বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ এনজিও শুরুর আইনি গাইড
ক্ষুদ্রঋণ এনজিও খোলার স্বপ্নটা অনেকেরই আছে। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে গেলে প্রথমেই আসে আইনি জটিলতার কথা। বিশেষ করে এমআরএ লাইসেন্স ইস্যুটা। আমি নিজেও সম্প্রতি এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ে গভীরভাবে গবেষণা করেছি। কী শর্ত, কী কী কাগজপত্র, আর সবচেয়ে
এনজিওর লাইসেন্স বাতিল বা ফান্ড ফ্রিজ হওয়ার মূল কারণ ও আইনি সমাধান
গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের এনজিও খাতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা সত্যি বলতে অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। লাইসেন্স বাতিল, তহবিল জব্দ এসব অভিজ্ঞতা যাদের হয়েছে, তারা জানেন কতটা জটিল এই প্রক্রিয়া। আমি নিজে বিভিন্ন এনজিওর নথি ও সাম্প্রতিক আদালতের রায় পড়ে দেখলাম,
এনজিও কর্মীদের চাকরি বিধি ও বাংলাদেশ শ্রম আইন: প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ছুটির আইনি অধিকার
আমি সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন এনজিওতে কাজ করা বন্ধুদের কাছ থেকে শুনছিলাম তাদের চাকরির শর্ত নিয়ে অনেকেরই ধোঁয়াশা আছে। বিশেষ করে প্রভিডেন্ট ফান্ড আর ছুটির অধিকার নিয়ে। বেশিরভাগ ছোট-বড় এনজিওই নিজেদের মতো নিয়ম চালায়। কিন্তু বাংলাদেশ শ্রম আইনে কী বলা
এনজিওর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মানি লন্ডারিং আইন: বিদেশী ফান্ড রিসিভ করার সঠিক নিয়ম
বিদেশী ফান্ড পাওয়া মানে শুধু টাকা আসা নয়, বরং দায়িত্ব বাড়া। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (২০০২ ও ২০১২ সংশোধনী) অনুযায়ী, এনজিওগুলোর জন্য ফান্ড রিসিভ করা আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে। আমি যখন গত কয়েক মাসের