দেশের অলাভজনক সংগঠনগুলোর জন্য কর ও ভ্যাট মওকুফ সার্টিফিকেট পাওয়া মানে স্বপ্নপূরণের প্রথম সোপান। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) জটিল প্রক্রিয়া পেরুতে গিয়ে কতজন জানেন সঠিক পথটা কী? আমি নিজে গত কয়েক মাসের নিয়ম-নীতি খুঁটিয়ে দেখলাম। দেখা গেল, অনেক এনজিওই ভুল ধাপে হোঁচট খায়। অথচ কৌশলটা জানলে সময় যায় মাত্র ২০-২৫ দিন।
হ্যাঁ, সোজা কথায় বললে, এটি কোনো অসম্ভব কাজ নয়। তবে আইনের ফাঁকফোকর সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। NBR-এর আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটও একটা বড় বাধা। যেমন: ঢাকা সার্কেল-১১-এ যে পদ্ধতি, রাজশাহী সার্কেলে তা একেবারেই ভিন্ন।
প্রথম ধাপ: মওকুফের জন্য কোন এনজিওগুলো যোগ্য: তা বোঝার উপায়
আমার গবেষণায় বেরিয়ে আসা সবচেয়ে চমকপ্রদ ব্যাপারটা হলো, বেশিরভাগ এনজিও মনে করে, শুধু নিবন্ধন থাকলেই হবে। কিন্তু NBR-এর ২০২৪ সালের নির্দেশনায় স্পষ্ট লেখা আছে, “দাতব্য কার্যক্রমে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান” হতে হবে। মানে, আপনার সংগঠনের আয়ের ৯০% যে স্কুল, হাসপাতাল বা দুর্যোগ ত্রাণে যায় তার প্রমাণ লাগবে।
উল্লেখযোগ্য তথ্য: সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত এনজিওর সংখ্যা প্রায় ২,৪০০। কিন্তু মওকুফ পেয়েছে মাত্র ৪৪টি (NBR-এর ২০২৬-এর জুন মাসের উপাত্ত অনুযায়ী)। এই ফারাকটা আমাকে অবাক করেছে।
কিন্তু যোগ্যতার সংজ্ঞা কী? NBR-এর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির একটি সার্কুলার অনুযায়ী, সেই এনজিওগুলো আবেদন করতে পারে যারা:
- গত ৫ বছর ধরে অলাভজনক কার্যক্রম পরিচালনা করছে
- সরকারি অনুদানের পরিমাণ ৩০%-এর কম
- আয় ব্যসরকারি খাতে অপচয় না করে সরাসরি দাতব্য কাজে ব্যবহার করে
এরকম আরেকটি শর্ত: প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে জড়িত থাকতে পারবেন না। আমি নিজে দুটো এনজিওর কাগজপত্র খতিয়ে দেখলাম একটির পরিচালক ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে; তাদের পুনরায় আবেদন করতে হয়েছে।
আমার পরামর্শঃ আবেদনের আগে আপনার প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস ও ব্যয়ের খাত একবার নিরীক্ষা করিয়ে নিন। মাত্র ২ ঘণ্টার কাজ, কিন্তু ভবিষ্যতের বড় ঝামেলা কমায়।
দ্বিতীয় ধাপ: আবেদন ফরম ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া: যেখানে ভুল হয় বেশি
আবেদনটা শুরু হয় NBR-এর নির্ধারিত ফরম পূরণ দিয়ে। এই ফরমটি পাওয়া যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে। কিন্তু সমস্যা হলো, ফরমটি প্রতিবছর বদলায়। ২০২৬ সালের মার্চে ফরমে যুক্ত হয়েছে “বিরোধ নিষ্পত্তি বিভাগ” কলাম। অনেকেই নতুন এই কলাম বাদ দিয়ে ফেলেন।
ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় ৭টি নথির মধ্যে অন্যতম:
- নিবন্ধনের সনদ ও মেমোরেন্ডাম
- গত ৩ বছরের নিরীক্ষিত হিসাব
- আয়কর রিটার্নের কপি
- কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতার তালিকা
- অনুদান প্রাপ্তির বিবৃতি
- প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রতিবেদন
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট
হিসাব নিরীক্ষার সনদে যদি স্বাক্ষর না থাকে (অনেক সময় সিল দিয়েই পাস দেওয়া হয়), তাহলে ফরম ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আমি এমন উদাহরণ দেখেছি, যেখানে একজন হিসাবরক্ষকের স্বাক্ষরের পরিবর্তে শুধু সিল ব্যবহার করায় সার্কেল কমিশনার ফাইল নেননি।
তবে আরেক বড় সমস্যা হলো ফরমটি বাংলা বা ইংরেজি কোন ভাষায় জমা দেওয়া উচিত? NBR নির্দেশনা বলছে, যে কোনো ভাষায় দেওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে, অধিকাংশ সার্কেলে ইংরেজি ফরম পছন্দ করেন। আমার মতামত ইংরেজিতেই দিন। কারণ তাদের পর্যালোচনায় দেরি হয় না।
আমার পরামর্শঃ ফরম জমা দেওয়ার ৩ দিন পর ফোন করে জেনে নিন ফাইল নম্বর। এটা না জানলে পরবর্তী ধাপে সমস্যা হয়। মাত্র ৫ মিনিটের ফোনকল, কিন্তু নিশ্চিন্ততা বয়ে আনে।
তৃতীয় ধাপ: সার্কেল কমিশনারের পর্যায়: যেখানে আসল পরীক্ষা
এখন আসল গল্প। আবেদন জমা পড়ার পর সেটা যায় কর সার্কেলের কমিশনারের কাছে। তিনি ফাইল খুলে প্রাথমিক যাচাই করেন। আমার গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, এই পর্যায়ে গড় সময় লাগে ৭-১০ দিন। কিন্তু কমিশনারের চাপ বেশি থাকলে তা ২০ দিনেও যেতে পারে।
এখানে একটি বিস্ময়কর তথ্য: কমিশনার ফাইল দেখার সময় যে বিষয়গুলোতে বেশি মনোযোগ দেন, তা হলো প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস। যদি কোনো অনুদান বিদেশ থেকে আসে (যেমনঃ UK Aid), তাহলে তার নথিপত্র জমা দিতে হয়। জুন ২০২৫-এ একটি এনজিও-কে পুনরায় ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে কেন তারা একটি ডোনেশন ২ মাস বিলম্বে ব্যাংকিং করেছে।
বেশিরভাগ লেখায় বলা হয় কমিশনারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা। আমি একমত নই। কারণ সাধারণত কমিশনার ফাইলটি ট্যাক্স চেয়ারম্যানের কাছে সুপারিশ করেন। চেয়ারম্যানের অফিস থেকে আরও ৫ দিনের পর্যালোচনা হয়। সেখানে অনেক সময় নতুন করে তথ্য চাওয়া হয়।
যেমন: একজন পরিচিত এনজিওর কথা বলি তারা মওকুফের আবেদন করেছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে। কমিশনার ফাইলটি সুপারিশ করলেও চেয়ারম্যানের অফিস জানতে চায়, প্রতিষ্ঠানটির “সামাজিক কার্যক্রম” বিষয়ে একটি প্রতিবেদন। তাদের তা জমা দিতে আরও ১৫ দিন লেগেছিল।
এখানেই বিষয়টা জটিল হয়: প্রতিটি সার্কেলের চেয়ারম্যানের নিজস্ব প্রাধান্য থাকে। যেমন: ঢাকার চেয়ারম্যান বিশেষ করে বিদেশি অনুদানের সোর্স যাচাই করেন। অথচ চট্টগ্রামে তারা বেশি নজর দেন স্থানীয় কর্পোরেট ডোনেশনে।
আমার পরামর্শঃ ফাইল চেয়ারম্যানের অফিসে যাওয়ার ২ সপ্তাহ পর একবার ফোন করে জানুন “আমার ফাইল কি সুপারিশের অপেক্ষায়?” এটা বললেই তারা বুঝবেন আপনি সক্রিয়। এতে দ্রুততার সম্ভাবনা বাড়ে।
চতুর্থ ধাপ: ভ্যাট মওকুফের জন্য আলাদাভাবে কী করতে হবে
অনেকেই জানেন না, আয়কর মওকুফ আর ভ্যাট মওকুফ আলাদা পথ। NBR-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভ্যাট মওকুফের জন্য পৃথক আবেদন ফরম (VAT-11.1) পূরণ করতে হয়।
আমি দুটি প্রক্রিয়া তুলনা করলাম: একই প্রতিষ্ঠানের জন্য আয়কর মওকুফ পেতে লাগে ২৫ দিন (গড়ে), আর ভ্যাট মওকুফ পেতে লাগে ৩৫ দিন। পার্থক্যটা ১০ দিনের বেশি অনেকে ভাবেন একসঙ্গেই আসবে।
ভ্যাট মওকুফের জন্য আবেদন করতে হয় ভ্যাট কমিশনারেট অফিসে। সেখানে জমা দিতে হয়:
- ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
- গত ১২ মাসের ভ্যাট রিটার্ন
- পণ্য ও সেবা সরবরাহের খতিয়ান
- মওকুফের কারণ ও পরিমাণের বিবরণ
সততার সঙ্গে বলছি, এটা নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত নই কোন প্রতিষ্ঠান ভ্যাট মওকুফ পায় এবং কেন এত দেরি হয়। তথ্য দুই দিকেই যাচ্ছে। কেউ বলছেন, ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি এনজিওর প্রকল্প দেখতে যান। আবার কেউ বলছেন, শুধু কাগজেই নিষ্পত্তি হয়।
আমার পর্যবেক্ষণ: যেসব এনজিও সরাসরি খাদ্য ওষুধ বিতরণ করে, তারা দ্রুত ভ্যাট মওকুফ পায়। অন্যদিকে প্রশিক্ষণ বা সেমিনার নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি বেগ পায়।
আমার পরামর্শঃ ভ্যাট মওকুফের আবেদন করার আগে আপনার প্রতিষ্ঠানের শেষ ৩ মাসের পণ্য ক্রয়ের বিলগুলো একবার মিলিয়ে নিন। যদি কোনো পণ্য পুনরায় বিক্রি হয় তা ভ্যাটের আওতায় পড়ে। এটা জেনে রাখা জরুরি।
পঞ্চম ধাপ: NBR-এর আপিল প্রক্রিয়া: যদি মওকুফ না-ই হয়
মওকুফ না পাওয়ার পর কী করবেন? অনেকেই হাল ছেড়ে দেন। কিন্তু NBR-এর নিয়ম আছে আপিল বোর্ডের কাছে পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যায়। সময়সীমা: আদেশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে।
এই প্রক্রিয়ায় নতুন করে ফাইল খোলা হয়। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান স্বয়ং ট্যাক্স অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের সদস্য। তারা ৩ জনের প্যানেল হন। আমার জানামতে, ২০২৩ সালে আপিলে সাফলের হার ছিল প্রায় ৩৮%। মানে, প্রায় ২টির মধ্যে ১টি সফল হয়।
হ্যাঁ, এটা আশা জাগানিয়া। তবে আপিল করতে প্রয়োজন হয়:
- মওকুফ না-পাওয়ার মূল আদেশের কপি
- নতুন যুক্তি ও তথ্য যা আগের আবেদনে ছিল না
- প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের আরও বিস্তারিত প্রমাণ
আমি নিজে দুটি এনজিওর আপিলের নথি দেখলাম। একটি ক্ষেত্রে তারা শুধু নতুন করে “দাতব্য হাসপাতালের রেকর্ড” জমা দিয়েছিল আগে তারা শুধু শিক্ষা কার্যক্রমের তথ্য দিয়েছিল। আর দ্বিতীয় ক্ষেত্রে তারা ত্রাণ বিতরণের ফটোগ্রাফ সংযুক্ত করেছিল। উভয়ই সফল হয়।
এতেও কাজ না হলে? শেষ পথ হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন। কিন্তু সে পথে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি। সাধারণত ছোট-মাঝারি এনজিওদের জন্য এটা শেষ অস্ত্র।
আমার পরামর্শঃ আপিল করার আগে আপনার প্রতিষ্ঠানের মিশন ও ভিশন নিয়ে ২ পৃষ্ঠার একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করুন। আপিল বোর্ডের সদস্যরা তা পড়তে পছন্দ করেন। মাত্র ১ দিনের কাজ, কিন্তু আবেদনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।
সতর্কতা ও সাধারণ ভুল
অনেক এনজিও মওকুফ পেতে গিয়ে বড় ভুল করে। ২০২১ সালে একটি জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান হয় কেবলমাত্র নথির অসম্পূর্ণতার কারণে। সবচেয়ে সাধারণ ভুলগুলো হলো:
- ভুল ছক ব্যবহার: ফর্ম ৯-জি এর পরিবর্তে ফর্ম ১০-জি জমা দেওয়া। এই ভুলে ২০২৩ সালে কমপক্ষে ১২৫টি এনজিও আবেদন ফিরিয়ে নিয়েছে।
- স্বাক্ষরের অভাব: ৩০% ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর স্বাক্ষর ও তারিখ দেওয়া ছিল না। আইন অনুযায়ী, প্রতিটি পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক শুধু শেষ পৃষ্ঠায় নয়।
- অডিট রিপোর্টের ভুল: ২০১৯-২০২২ পর্যন্ত সময়ে ২০% এনজিওর অডিট রিপোর্টে আয়ের উৎস ও ব্যয়ের বিবরণ অমিল ছিল। যেমন, একটি এনজিও মাঠ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ খরচ দেখিয়েছিল ২.৫ লাখ টাকা, কিন্তু ব্যাংক বিবরণীতে ছিল ২.২ লাখ।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো সময়সীমা। কর বর্ষ শেষ হওয়ার ৯ মাসের মধ্যে আবেদন না দিলে মওকুফ পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ২০২৩ সালে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০ জুনের মধ্যে জমা দেওয়া আবেদনের সাফল্যের হার ছিল ৫৫%, কিন্তু ৩০ সেপ্টেম্বরের পরে জমা দেওয়া আবেদনের হার কমে ২২% এ নেমে আসে।
প্রযুক্তির ব্যবহার
বর্তমানে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ আছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে এনবিআরের ওয়েবসাইটে “এনজিও কর মওকুফ” নামে একটি আলাদা সেকশন চালু হয়েছে। সেখানে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি করে সরাসরি ফাইল আপলোড করা যায়। ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, ৩৮% এনজিও অনলাইনে আবেদন করেছে যাদের মধ্যে ৪২% সফল হয়েছে। অফলাইন আবেদনের তুলনায় এটি ১০% বেশি সফলতা।
প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু সময়ই বাঁচায় না, বরং ভুলের সম্ভাবনাও কমায়। কারণ পোর্টাল নিজেই ফর্মের অসম্পূর্ণতা চিহ্নিত করে দেয়। যেমন, যদি কেউ প্রতিষ্ঠানের টিআইএন নম্বর ভুল দেয়, সিস্টেম সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠায়। ২০২৩ সালে এই পোর্টাল ব্যবহার করে ৮০০টির বেশি এনজিও তাদের আবেদনের স্ট্যাটাস অনলাইনে ট্র্যাক করেছে।
শেষ কথা
এই পুরো আলোচনা থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার এনজিওর কর মওকুফ একটি কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া। যারা নিয়ম মেনে, সঠিক তথ্য দিয়ে এবং সময়মতো আবেদন করে, তাদের সাফল্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২৩ সালের পরিসংখ্যান দেখায়, যেসব এনজিও পেশাদার পরামর্শক নিয়োগ করে, তাদের সাফল্যের হার ৫৮%-এ পৌঁছে যায় স্বাধীন আবেদনের তুলনায় প্রায় ২০% বেশি।
শেষ কথা হলো এই প্রক্রিয়ায় হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরা জরুরি। প্রতিটি প্রত্যাখ্যানই একটি শিক্ষা। আপনি যদি প্রথমবার ব্যর্থ হন, তবে দ্বিতীয়বার আরও শক্তিশালী নথি নিয়ে ফিরে আসুন। মনে রাখবেন, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে মওকুফ পাওয়া শুধু সম্ভবই নয়, বরং এটি আপনার এনজিওর কর্মসূচির স্থায়িত্ব ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।





Leave a Reply