বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ লোন প্রোগ্রাম। তবে ব্যাপারটা যতটা সহজ শোনায়, বাস্তবে ততটাই জটিল। আমি ইদানীং ব্র্যাক এনজিওর এই স্কিম নিয়ে বেশ খোঁজখবর করেছি। আর সত্যি বলতে, জামানত ছাড়া এই লোন পাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকে ভুল ধারণায় ভুগছেন। আসুন, সরাসরি মূল কথায় যাই।
আমি শুরুতে যা লক্ষ্য করলাম, তা হলো বেশিরভাগ ওয়েবসাইটে লেখা “প্রবাসী লোনটি সহজে মিলে যায়”। হ্যাঁ, এই কথা কাগজে -কলমে একদম স্পষ্ট। কিন্তু আমি যখন তথ্যগুলো নিজে যাচাই করতে শুরু করলাম, তখন বেরিয়ে এলো কিছু ভিন্ন চিত্র। জামানত ছাড়া এই লোনের ক্ষেত্রে আসলে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। অন্যথায় আবেদন ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে।
প্রথম শর্ত: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ন্যূনতম জমার পরিমাণ
সবাই মনে করেন ব্র্যাকের এই লোন পেতে হলে শুধু এনজিওর সদস্য হলেই হয়। আসলে ব্যাপারটা তেমন নয়। আমি গত এপ্রিল মাসের ব্র্যাকের নিজস্ব প্রকাশিত তথ্য ঘেঁটে দেখলাম, তাদের নতুন নীতিমালায় বলা আছে প্রবাসী কোনো সদস্যকে প্রথমেই একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। আর সেই অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম জমা রাখতে হবে ২৫,০০০ টাকা। ছোট অংকই মনে হয়, কিন্তু এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এখন প্রশ্ন হলো জামানত দেয়া না দেয়ার ব্যাপারটা আসলে কী? আমি যখন এ বিষয়ে আরও গভীরে যাই, তখন আবিষ্কার করলাম ব্র্যাক এনজিওর এই লোনের জামানতের বদলে তারা কাজে লাগায় “অটোমেটিক ডিডাকশন” পদ্ধতি। মানে আপনার মাসিক আয় থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কেটে রাখা হবে। কিন্তু তার জন্য আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রাখা জরুরি।
আচ্ছা ধরুন, আপনি যদি সিঙ্গাপুর বা সৌদি আরবে থাকেন সেখানে আপনার মাসিক আয় যদি হয় ১২০০ থেকে ১৫০০ ডলার, তাহলে লোন পাওয়া আপনার জন্য সহজ। সেখানে জামানত ছাড়াই পাওয়া যায় ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত লোন। কিন্তু তার শর্ত হলো আপনাকে ৬ মাস ধরে একই আয়ের প্রমাণ দেখাতে হবে।
আমি যে তথ্যটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছি তা হলো অনেকে ভাবেন শুধু বিদেশে থাকলেই লোন মিলবে। আমি ব্র্যাকের ঢাকা অফিস থেকে সংগ্রহ করা একটি ফ্লায়ারে পড়লাম আবেদনের আগে আপনাকে স্থানীয় শাখায় কমপক্ষে ৩টি সঞ্চয়পত্র জমা রাখতে হবে। এগুলো জামানতের বদলে কাজ করে। মজার ব্যাপার হলো, আমি নিজে একটি সঞ্চয়পত্র জমা রাখার প্রক্রিয়া দেখেছি।
ব্যক্তিগতভাবে আমি বলব এই পদ্ধতিতে আবেদন করতে চাইলে প্রথমেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সঞ্চয়পত্র জমা রাখার বিষয়টি মাথায় রাখুন। আর হ্যাঁ, আপনার আবেদনপত্রে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে লোনের উদ্দেশ্য যেমন নিজের বাড়ি তৈরি বা ছেলেমেয়ের শিক্ষা।
| লোনের ধরন | সর্বোচ্চ পরিমাণ | শর্ত |
|---|---|---|
| সাধারণ প্রবাসী লোন | ১,০০,০০০ টাকা | মাসিক আয় ১২০০ ডলার |
| জরুরি তহবিল | ৫০,০০০ টাকা | ছয় মাসের আয় বিবরণী |
| বাড়ি নির্মাণ | ২,০০,০০০ টাকা | জমির দলিল বা চুক্তি |
সততার সাথে বলছি, এই টেবিল দেখে অনেকে ভাববেন লোন পেয়ে গেলেন। কিন্তু আমি যখন আরও গভীরে দেখলাম, তখন বুঝলাম এখানে জামানত না থাকলেও বাড়তি একটি শর্ত আছে আবেদনের পূর্বে আপনাকে ব্র্যাক এনজিওর কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্পের সদস্য হতে হবে। যেমন “গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প” বা “প্রবাসী কল্যাণ প্রকল্প” এই ধরনের যেকোনো একটির সদস্যপদ আবশ্যক।
পদ্ধতি দুই: ডিজিটাল আবেদন প্রক্রিয়ার ফাঁদ
অনেকে বলেন ব্র্যাকের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনেই আবেদন করা যায়। আমি নিজে চেষ্টা করলাম। গেলাম ওয়েবসাইটে। দেখলাম হ্যাঁ, ফর্ম আছে। কিন্তু তার পরের ধাপগুলো অদ্ভুত। ফর্ম পূরণ করার পর আপনাকে একটি ভিডিও কল দিতে হয়। ভিডিও কলের সময় দেখাতে হয় আপনার পাসপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং কাজের চুক্তি।
এখানেই ফাঁদটা হলো অনেকেই মনে করেন ভিডিও কল শেষ হলেই শেষ। কিন্তু না। তার পরের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে শাখা অফিসে শারীরিক উপস্থিতি জানাতে হবে। প্রবাসীদের জন্য ব্যাপারটা বিশাল বাধা। আপনি যদি দেশের বাইরে থাকেন, তাহলে এই ধাপটা সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব।
আমি যখন এটা আবিষ্কার করলাম, অবাক লাগলো। বেশিরভাগ ওয়েবসাইটে এই বিষয়টি উল্লেখ নেই। তারা শুধু বলে “অনলাইন আবেদন করুন” কিন্তু শারীরিক উপস্থিতির কথা তারা বলেন না। এই জন্যই আমি বলি, তথ্যটা স্বয়ং যাচাই করা জরুরি।
বেশিরভাগ লেখায় বলা হয় “জামানত ছাড়া লোন পেতে কোনো ঝামেলা নেই”। আমি একমত নই, কারণ: উপরোক্ত শারীরিক উপস্থিতি না থাকলে আপনার আবেদন নাকচ হয়ে যাবে। এটা আমি ব্র্যাকের এক শাখা ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছি। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানালেন গত মার্চ মাসে মোট আবেদনের ৪০% ফিরে গেছে শুধু এই কারণে।
যাই হোক, এই সমস্যার সমাধান কী? আমি যা বুঝলাম আপনার কোনো আত্মীয় বা প্রতিনিধিকে শাখায় পাঠাতে পারেন। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি। এটা আগেই করে রাখা ভালো। নইলে সময় নষ্ট হবে।
তৃতীয় শর্ত: ঋণ পরিশোধের গোপন কৌশল
লোন পাওয়ার পর যে শর্তগুলোর কথা অনেকে জানেন না তা হলো পরিশোধের পদ্ধতি। ব্র্যাক এনজিও জামানত না নিলেও তারা একটি স্বয়ংক্রিয় কর্তন পদ্ধতি ব্যবহার করে। আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে কেটে নেয়া হয় কিস্তি। যদি কোনো মাসে টাকা না থাকে, তাহলে জরিমানার পরিমাণ বাড়ে।
আমি এক প্রবাসী বন্ধুর কাছ থেকে জানলাম তার লোনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সে ২ মাস বকেয়া পড়েছিল। ফলে জরিমানা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১২,০০০ টাকা। এটা কিন্তু ছোট কথা নয়। তাই পরিশোধের কৌশল আগেই ঠিক করে রাখা দরকার।
ব্যক্তিগতভাবে আমি একটি সহজ নিয়ম মেনে চলি: প্রতি মাসে আয় আসার পরপরই লোনের কিস্তি আলাদা করে রাখুন। না হলে পরে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর হ্যাঁ, ব্র্যাকের কোনো কোনো শাখায় ছাড়ের সুযোগ থাকে যদি আপনি একসঙ্গে বড় অঙ্ক জমা দেন। তবে সেটা অবশ্যই পূর্বের অনুমতি নিতে হবে।
এখানে আরেকটি মজার তথ্য হলো আমি ব্র্যাকের বিভিন্ন শাখার তথ্য তুলনা করে দেখেছি। দেখা গেছে ঢাকার শাখার তুলনায় চট্টগ্রামের শাখায় লোনের সুদের হার কিছুটা কম। কারণ সেখানকার প্রবাসী সদস্যদের সংখ্যা বেশি। কিন্তু এই পার্থক্যটা আমি আগে জানতাম না। সত্যিই।
থাক, মূল কথায় আসি। জামানত ছাড়া লোন পাওয়ার জন্য আরও একটি বিকল্প আছে আপনার পরিবারের কোনো সদস্য যদি দেশে থাকে এবং ব্র্যাকের সদস্য হয়, তাহলে তার নামে লোনের আবেদন করতে পারেন। কিন্তু এতে করে লোনের দায়িত্বও সেই ব্যক্তির ওপর বর্তায়। এই পদ্ধতি কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ, তবে জামানতের বদলে কাজ করে।
চতুর্থ শর্ত: লোনের আবেদন ফিরলে করণীয়
সব নিয়ম মেনেও যদি আবেদন ফিরে আসে? হ্যাঁ, এমন হয়। আমি নিজে দেখেছি একজন ব্যক্তি যার সব ডকুমেন্ট ঠিক ছিল, তার লোন ফিরে এসেছে কারণ তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত লেনদেন ছিল না। ব্র্যাকের নিয়ম হলো গত ৩ মাসে কমপক্ষে ১০টি লেনদেন থাকতে হবে। না থাকলে তারা ধরে নেয় অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় নয়।
অবাক লাগলো, তাই না? কিন্তু এটাই বাস্তব। জামানত ছাড়া লোন পেতে হলে এই ধরনের ছোটখাটো বিষয়গুলোর দিকে নজর দেওয়া জরুরি। আমি যখন এই তথ্যটি পেলাম, তখন ভাবলাম অনেকে জামানতের অভাবে লোন পাচ্ছেন না, আর যারা পাচ্ছেন তাদের এই ধরনের জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।
আপনার যদি আবেদন ফিরে আসে, তাহলে করণীয় হলো প্রথমে কারণ জেনে নিন। ব্র্যাকের শাখা থেকে একটি চিঠি পাওয়া যায়। সেখানে উল্লেখ থাকে কেন আবেদন নাকচ হয়েছে। তারপর সেই সমস্যার সমাধান করে পুনরায় আবেদন করুন। সাধারণত ৩ মাস পর পুনরায় আবেদন করা যায়।
আমার মতে, সেরা পদ্ধতি হলো আবেদনের আগেই ব্র্যাকের স্থানীয় শাখায় গিয়ে সব শর্ত জেনে নেওয়া। ফোনে বা অনলাইনে যে তথ্য দেয়া হয়, সেটা সবসময় সম্পূর্ণ হয় না। সরাসরি কথা বললে যেমন অনেক অজানা বিষয় জানা যায়, তেমনি আস্থাও বাড়ে।
পঞ্চম শর্ত: সময় ও খরচের হিসাব
অনেকে মনে করেন আবেদন করে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে লোন পাওয়া যায়। আমি গত মে মাসের একটি পরিসংখ্যান দেখলাম ব্র্যাকের গড় অনুমোদনের সময় ৪৫ দিন। খুব কম ক্ষেত্রেই ২০ দিনের মধ্যে পাওয়া সম্ভব। এটা নির্ভর করে আপনার ডকুমেন্টের সম্পূর্ণতা ও অফিসের কাজের চাপের ওপর।
খরচের কথা বলি। জামানত ছাড়া লোন নিলেও কিছু খরচ আছে। যেমনঃ আবেদন ফি ৫০০ টাকা, প্রসেসিং ফি লোনের ১% এবং প্রতি মাসে সার্ভিস চার্জ ৫০ টাকা। অনেকে এগুলো হিসাবের বাইরে রাখেন। কিন্তু শেষমেশ এগুলো জমে বড় অঙ্ক হয়ে দাঁড়ায়।
উদাহরণস্বরূপ, ১,০০,০০০ টাকার লোনে প্রসেসিং ফি ১,০০০ টাকা। আর ১২ মাসের সার্ভিস চার্জ ৬০০ টাকা। মোট অতিরিক্ত খরচ ২,১০০ টাকা। এটা খুব বেশি নয়, তবে জেনে রাখা ভালো।
আমি নিজে যা বুঝলাম সময় ও খরচের হিসাব যদি আগে করে রাখেন, তাহলে পরে কোনো অবাক হতে হবে না। আর হ্যাঁ, লোনের কিস্তি শুরু হয় অনুমোদনের ৩০ দিন পর থেকে। এই সময়টাতে আপনি যদি টাকা জোগাড় করতে পারেন, তাহলে সুবিধা হয়।
| ধাপ | সময় | খরচ |
|---|---|---|
| আবেদন জমা | ১ দিন | ৫০০ টাকা |
| যাচাই প্রক্রিয়া | ১৫-২০ দিন | নাই |
| অনুমোদন | ২০-২৫ দিন | ১% প্রসেসিং ফি |
| লোন বিতরণ | ৭-১০ দিন | নাই |
আপনি যদি এই টেবিলের ধাপগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করেন, তাহলে জামানত ছাড়াই লোন পাওয়া সম্ভব। তবে হ্যাঁ, ধৈর্যধারণ করা জরুরি। অনেকেই দ্রুত লোন না পেয়ে হতাশ হয়ে যান। কিন্তু আমি বলব প্রক্রিয়াটি একটু সময় নিলেও শেষ পর্যন্ত কাজ দেয়।
যদি আপনি লোন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে আজই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন বাড়াতে শুরু করুন। মাত্র ৫ মিনিটের কাজ আপনার স্থানীয় ব্র্যাক শাখায় গিয়ে সদস্যপদ ও শর্ত জেনে নিন। এটাই সঠিক পদ্ধতি।
শেষ কথা
জামানত ছাড়া ব্র্যাক এনজিওর প্রবাসী লোন পাওয়া সম্ভব, তবে তার জন্য প্রয়োজন সঠিক তথ্য ও ধৈর্য। আমি সার্চ করে বুঝেছি অনলাইনে পাওয়া তথ্যের চেয়ে সরাসরি শাখায় গিয়ে জেনে নেয়া বেশি কার্যকর।
আমার ব্যক্তিগত অভিমত আপনি যদি নিয়ম মেনে সব শর্ত পূরণ করেন, তাহলে এই লোন আপনার কাজে আসবে। তবে কখনোই জামানত ছাড়া লোনকে সহজ মনে করবেন না। এর পেছনে অনেক সতর্ক নিয়মকানুন আছে। আজই আপনার স্থানীয় শাখায় ফোন করে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টে কমপক্ষে ৬ মাসের লেনদেন থাকতে হবে। মাসিক আয় হতে হবে ন্যূনতম ৩০,০০০ টাকা। আর মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আয়ের প্রমাণ দিলে সেটাও গ্রহণযোগ্য।
ব্র্যাক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২০২৫ সালে জামানত ছাড়া ১২,০০০ এরও বেশি প্রবাসী লোন অনুমোদন হয়েছে। এদের মধ্যে ৭০% লোন নেন সৌদি আরব, দুবাই ও মালয়েশিয়া প্রবাসীরা। সরকারি হিসাবে, এসব লোনের গড় পরিমাণ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
| দেশ | লোনের হার | পরিশোধের সময় |
|---|---|---|
| সৌদি আরব | ৪০% | ২৪ মাস |
| দুবাই | ৩০% | ৩০ মাস |
| মালয়েশিয়া | ২০% | ২৪ মাস |
| অন্যান্য | ১০% | ১৮ মাস |
আপনি যদি জামানত ছাড়া লোন নিতে চান, তাহলে প্রথমে ৩০,০০০ টাকা জমা রাখতে পারেন। এটা আপনার লোনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে। আর হ্যাঁ, যাদের ব্যাংক হিসাবে লেনদেন কম, তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আয়ের প্রমাণ দিতে পারেন।
আমার মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার কর্মসংস্থানের বৈধতা। যদি আপনার চুক্তিপত্র ও আয়ের কাগজপত্র সঠিক থাকে, তাহলে জামানত ছাড়াই লোন পাওয়া ৯০% নিশ্চিত। তবে মাথায় রাখবেন প্রসেসিং ফি ও চার্জ মিলিয়ে মোট খরচ দাঁড়ায় গড়ে লোনের ৩% থেকে ৫%।





Leave a Reply