Skip to content
Bangladesh-NGO.png Bangladesh-NGO.png Bangladesh NGO

বাংলাদেশের সকল এনজিও সংক্রান্ত তথ্য

Bangladesh-NGO.png Bangladesh-NGO.png Bangladesh NGO

বাংলাদেশের সকল এনজিও সংক্রান্ত তথ্য

  • হোম
  • এনজিও লোন পদ্ধতি
  • বাংলাদেশের এনজিও আইন
  • সাধারন জিজ্ঞাসা
  • পৃষ্ঠা সমূহ
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • নীতিমালা
    • ডিসক্লেইমার
    • ডিএমসিএ
  • হোম
  • এনজিও লোন পদ্ধতি
  • বাংলাদেশের এনজিও আইন
  • সাধারন জিজ্ঞাসা
  • পৃষ্ঠা সমূহ
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • নীতিমালা
    • ডিসক্লেইমার
    • ডিএমসিএ
এনজিও লোনের সুদের হার কত.png
এনজিও লোন পদ্ধতি

টিএমএসএস এনজিও লোনের সুদের হার কত

সুবর্ণা পারভীন
By সুবর্ণা পারভীন
August 22, 2026

টিএমএসএস থেকে ঋণ নেওয়ার কথা ভাবলে প্রথমেই প্রশ্ন আসে, ঋণের সুদের হার বা সেবা মাশুল কত এবং কিস্তিতে মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে। শুধু একটি শতাংশ জানলেই এই প্রশ্নের পূর্ণ উত্তর পাওয়া যায় না। কারণ টিএমএসএস একাধিক ক্ষুদ্রঋণ ও বিশেষ ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করে এবং ঋণের ধরন, মেয়াদ, কিস্তির সময়সূচি ও প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ ভিন্ন হতে পারে।

২০২৬ সালের ২২ আগস্ট পর্যন্ত যাচাই করা প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, টিএমএসএসের নিজস্ব ক্ষুদ্রঋণ পাতায় জাগরণ, অগ্রসর, বুনিয়াদ, সাহস ও সুফলনসহ বিভিন্ন ঋণপণ্যের নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে সেখানে প্রতিটি ঋণপণ্যের বর্তমান সেবা মাশুল আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়নি। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির প্রকাশ্য তথ্যে ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে ২৪ শতাংশ সেবা মাশুলের উল্লেখ পাওয়া যায়। তাই এই সংখ্যাকে টিএমএসএসের প্রতিটি ঋণপণ্যের নিশ্চিত বর্তমান হার হিসেবে না ধরে নির্দিষ্ট ঋণের লিখিত শর্ত যাচাই করা উচিত।

এই নিবন্ধের উদ্দেশ্য হলো শুধু একটি সংখ্যা বলা নয়, বরং কীভাবে প্রকৃত ঋণখরচ বুঝবেন, কোন তথ্য শাখা থেকে লিখিতভাবে নেবেন এবং কিস্তি আপনার আয়ের সঙ্গে মানানসই কি না তা যাচাই করবেন তা সহজভাবে তুলে ধরা। ঋণ নেওয়ার আগে এসব তথ্য জানা থাকলে খরচ ও কিস্তির দায় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সহজ হয়।

টিএমএসএস লোনের সুদের হার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত উত্তর

২০২৬ সালের ২২ আগস্ট পর্যন্ত যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির প্রকাশ্য তথ্যে ক্ষুদ্রঋণের সেবা মাশুল হিসেবে ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে ২৪ শতাংশের উল্লেখ পাওয়া যায়। টিএমএসএস মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।

তবে টিএমএসএসের নিজস্ব ক্ষুদ্রঋণ পাতায় জাগরণ, অগ্রসর, বুনিয়াদ, সাহস, সুফলনসহ প্রতিটি ঋণপণ্যের বর্তমান সেবা মাশুল আলাদাভাবে উল্লেখ নেই। তাই আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হার, কিস্তির পরিমাণ ও মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট শাখার লিখিত ঋণপত্র থেকে যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।

২৪ শতাংশ মানেই কি টিএমএসএসের সব লোনে একই হার?

না। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির প্রকাশ্য তথ্যে ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে ২৪ শতাংশ সেবা মাশুলের উল্লেখ থাকলেও টিএমএসএসের নিজস্ব ক্ষুদ্রঋণ পাতায় প্রতিটি ঋণপণ্যের জন্য একই বর্তমান হার ঘোষণা করা হয়নি। জাগরণ, অগ্রসর, বুনিয়াদ, সাহস, সুফলন এবং বিশেষ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও শর্ত আলাদা হতে পারে। তাই শুধু ২৪ শতাংশ সংখ্যাটি দেখে সব টিএমএসএস ঋণের হার একই ধরে নেওয়া উচিত নয়। আবেদন করার সময় নির্দিষ্ট ঋণপণ্যের সেবা মাশুল ও মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ লিখিতভাবে জেনে নিন।

ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে সেবা মাশুল কীভাবে কাজ করে?

ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে সাধারণভাবে বকেয়া মূলধন কমার সঙ্গে সঙ্গে সেবা মাশুল গণনার ভিত্তিও কমে আসে। অর্থাৎ কিস্তির মাধ্যমে মূলধনের একটি অংশ পরিশোধ হওয়ার পর পরবর্তী সময়ের হিসাব অবশিষ্ট মূলধনের ভিত্তিতে করা হয়। এ কারণে ১ লাখ টাকা ঋণের সঙ্গে সরাসরি ২৪ হাজার টাকা যোগ করে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে ধরে নেওয়া সঠিক নয়। প্রকৃত হিসাব জানতে ঋণের মেয়াদ, কিস্তির সংখ্যা, কিস্তির ব্যবধান এবং প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত কিস্তি সূচি দেখতে হবে।

টিএমএসএসে কী ধরনের ক্ষুদ্রঋণ পাওয়া যায়?

টিএমএসএসের নিজস্ব ক্ষুদ্রঋণ তথ্য অনুযায়ী প্রধান ঋণপণ্যের মধ্যে জাগরণ, অগ্রসর, বুনিয়াদ, সাহস ও সুফলন রয়েছে। এছাড়া নতুন উদ্যোক্তার মূলধন, লিজভিত্তিক অর্থায়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোগ উন্নয়ন, আবাসন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশেষ ঋণসুবিধার উল্লেখ রয়েছে। তবে প্রকাশ্য পাতায় কোন ঋণসুবিধা কোন শাখায় বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে তার পূর্ণ শাখাভিত্তিক তালিকা দেওয়া নেই। তাই আবেদন করার আগে নিকটস্থ শাখা থেকে সংশ্লিষ্ট ঋণপণ্যের বর্তমান প্রাপ্যতা ও শর্ত জেনে নেওয়া উচিত।

ঋণ নেওয়ার আগে শুধু সুদের হার নয়, মোট পরিশোধযোগ্য টাকা দেখুন

ঋণের প্রকৃত খরচ বোঝার সহজ উপায় হলো শুধু সেবা মাশুলের শতাংশ না দেখে পুরো পরিশোধসূচি দেখা। শাখা থেকে অনুমোদিত ঋণের অঙ্ক, হাতে পাওয়া অর্থ, মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ, কিস্তির সংখ্যা এবং প্রতি কিস্তির অঙ্ক লিখে নিন। ঋণ বিতরণের সময় কোনো বৈধ কর্তন বা সঞ্চয়ের নিয়ম প্রযোজ্য হলে সেটির পরিমাণও জেনে নিন। ঋণচুক্তি ও কিস্তির সূচির সঙ্গে এই হিসাব মিলিয়ে দেখলে প্রকৃত আর্থিক দায় বোঝা সহজ হবে।

কোন কোন ফি ও কর্তন সম্পর্কে আগে জানতে হবে?

আবেদন করার সময় সেবা মাশুলের পাশাপাশি সদস্যপদ, পাশবই, আবেদনপত্র, সঞ্চয় বা অন্য কোনো কর্তন প্রযোজ্য কি না জেনে নিন। কোনো অর্থ দিতে হলে তার নাম, পরিমাণ এবং কারণ পরিষ্কারভাবে জানতে চান এবং রসিদ সংগ্রহ করুন। কিস্তি পরিশোধের রেকর্ড, পাশবই, রসিদ ও ঋণচুক্তির কপি নিজের কাছে সংরক্ষণ করুন। ঋণ বিতরণের সময় হাতে পাওয়া অর্থ এবং ঋণপত্রে দেখানো অর্থের মধ্যে পার্থক্য থাকলে তার কারণও লিখিতভাবে জেনে নেওয়া উচিত।

টিএমএসএস লোনের জন্য কারা বিবেচিত হতে পারেন?

টিএমএসএসের প্রকাশ্য তথ্যে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সহায়তার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে সব ঋণপণ্যের জন্য একক ও বিস্তারিত যোগ্যতার তালিকা প্রকাশ্য পাতায় দেওয়া নেই। আবেদনকারীর জন্য কোন ঋণপণ্য উপযুক্ত হবে এবং কী শর্ত পূরণ করতে হবে তা সংশ্লিষ্ট শাখার যাচাই ও নির্দিষ্ট কর্মসূচির নিয়মের ওপর নির্ভর করবে। তাই আবেদন করার আগে নিজের জন্য প্রযোজ্য যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় শর্ত শাখা থেকে জেনে নিন।

আবেদন করার আগে নিজের কিস্তি সক্ষমতা কীভাবে যাচাই করবেন?

গত কয়েক মাসের গড় আয় ও প্রয়োজনীয় পারিবারিক ব্যয় হিসাব করে দেখুন নিয়মিত কিস্তির জন্য বাস্তবে কত টাকা অবশিষ্ট থাকে। খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ও জরুরি ব্যয় বাদ দেওয়ার পর কিস্তি দেওয়া সম্ভব কি না যাচাই করুন। কৃষি বা মৌসুমি ব্যবসায় আয় অনিয়মিত হলে আপনার আয়ের সময়ের সঙ্গে কিস্তির সময়সূচি মানানসই কি না শাখার সঙ্গে আলোচনা করুন। চলমান ঋণের কিস্তিও মোট দায়ের হিসাবের মধ্যে রাখুন।

শাখা থেকে যে তথ্যগুলো লিখিতভাবে নেবেন

ঋণ চূড়ান্ত করার আগে ঋণপণ্যের নাম, অনুমোদিত অর্থের পরিমাণ, সেবা মাশুলের হার, হিসাবের পদ্ধতি, ঋণের মেয়াদ, মোট কিস্তির সংখ্যা, প্রতি কিস্তির অঙ্ক, প্রথম কিস্তির তারিখ এবং মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ লিখিতভাবে নিন। আগাম পরিশোধ বা কিস্তি বিলম্বের ক্ষেত্রে কী নিয়ম প্রযোজ্য হবে সেটিও জেনে নিন। সম্ভব হলে পূর্ণ কিস্তি সূচির একটি কপি সংগ্রহ করুন এবং মৌখিকভাবে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে ঋণচুক্তির তথ্য মিলিয়ে দেখুন।

টিএমএসএস লোন সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. টিএমএসএস এনজিও লোনের সুদের হার বর্তমানে কত?

২০২৬ সালের ২২ আগস্ট পর্যন্ত যাচাই করা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির প্রকাশ্য তথ্যে ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে ২৪ শতাংশ সেবা মাশুলের উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে টিএমএসএসের নিজস্ব ক্ষুদ্রঋণ পাতায় প্রতিটি ঋণপণ্যের বর্তমান হার আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তাই আপনার জন্য প্রযোজ্য সেবা মাশুল ও কিস্তির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট শাখার লিখিত ঋণপত্র থেকে যাচাই করুন।

২. ২৪ শতাংশ কি সরাসরি মূল ঋণের সঙ্গে যোগ করা হয়?

না। ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে মূলধন পরিশোধের সঙ্গে বকেয়া অর্থ কমতে থাকে এবং হিসাব সেই কাঠামো অনুযায়ী করা হয়। তাই মূল ঋণের সঙ্গে সরাসরি ২৪ শতাংশ যোগ করে মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ নির্ধারণ করা ঠিক নয়। সঠিক অঙ্ক জানতে অনুমোদিত কিস্তি সূচি দেখতে হবে।

৩. টিএমএসএসে সব ধরনের ঋণের হার কি একই?

সব ঋণের হার একই ধরে নেওয়া ঠিক নয়। টিএমএসএসের জাগরণ, অগ্রসর, বুনিয়াদ, সাহস, সুফলন এবং বিশেষ প্রকল্পভিত্তিক ঋণের উদ্দেশ্য ও শর্ত আলাদা হতে পারে। টিএমএসএসের প্রকাশ্য পাতায় প্রতিটি পণ্যের বর্তমান সেবা মাশুল আলাদাভাবে দেওয়া নেই। তাই নির্দিষ্ট ঋণপণ্যের নাম উল্লেখ করে শাখা থেকে বর্তমান হার জেনে নিন।

৪. টিএমএসএস থেকে কত টাকা ঋণ পাওয়া যায়?

টিএমএসএসের প্রকাশ্য ক্ষুদ্রঋণ পাতায় সবার জন্য প্রযোজ্য একক ঋণসীমা উল্লেখ নেই। নির্দিষ্ট ঋণপণ্য এবং আবেদন যাচাইয়ের ভিত্তিতে অনুমোদিত অর্থের পরিমাণ নির্ধারিত হতে পারে। তাই কত টাকা পাওয়া যাবে তা সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে নিশ্চিত করতে হবে।

৫. ঋণ পেতে কি সদস্য হতে হয়?

টিএমএসএসের প্রকাশ্য ক্ষুদ্রঋণ পাতায় প্রতিটি ঋণপণ্যের সদস্যপদসংক্রান্ত পূর্ণ নিয়ম দেওয়া নেই। কোনো ঋণের জন্য সদস্য হওয়া প্রয়োজন কি না, সদস্য হওয়ার পর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে বা অন্য কোনো শর্ত আছে কি না তা সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জেনে নিন।

৬. কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে?

সব ঋণপণ্যের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের একক তালিকা টিএমএসএসের প্রকাশ্য ক্ষুদ্রঋণ পাতায় দেওয়া নেই। পরিচয় ও আবেদনসংক্রান্ত কী কী নথি প্রয়োজন হবে তা ঋণের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে সর্বশেষ নথির তালিকা সংগ্রহ করুন।

৭. অন্য প্রতিষ্ঠানে ঋণ থাকলে টিএমএসএসে আবেদন করা যাবে?

অন্য প্রতিষ্ঠানে চলমান ঋণ থাকলেও আবেদন গ্রহণ বা অনুমোদনের নিয়ম সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করবে। চলমান ঋণের তথ্য গোপন না করে মোট কিস্তির দায় এবং নিজের পরিশোধক্ষমতা বিবেচনা করা উচিত।

৮. আগাম ঋণ পরিশোধ করলে সেবা মাশুল কমতে পারে কি?

আগাম ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে কত টাকা দিতে হবে এবং কোনো সমন্বয় প্রযোজ্য হবে কি না তা নির্দিষ্ট ঋণচুক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিয়মের ওপর নির্ভর করে। আগাম পরিশোধের আগে শাখা থেকে লিখিত সমাপনী হিসাব সংগ্রহ করুন এবং কত টাকা দিলে ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধ হিসেবে গণ্য হবে তা নিশ্চিত করুন।

৯. কিস্তি দিতে সমস্যা হলে কী করা উচিত?

কিস্তি দিতে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিন এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়মের মধ্যে কোনো ব্যবস্থা প্রযোজ্য কি না জেনে নিন। নতুন ঋণ নিয়ে পুরোনো ঋণের কিস্তি দেওয়ার আগে মোট আর্থিক দায় সতর্কভাবে বিবেচনা করা উচিত।

১০. ঋণ নেওয়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রশ্ন কী?

প্রথমত, ঋণ বিতরণের সময় হাতে প্রকৃত কত টাকা পাবেন? দ্বিতীয়ত, সেবা মাশুল ও প্রযোজ্য খরচসহ মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে? তৃতীয়ত, কয়টি কিস্তিতে কত টাকা করে দিতে হবে? এর পাশাপাশি প্রথম কিস্তির তারিখ, সঞ্চয়ের কোনো নিয়ম থাকলে তার শর্ত এবং আগাম পরিশোধের নিয়ম লিখিতভাবে জেনে নিন।

তথ্য যাচাই ও হালনাগাদ

এই নিবন্ধের তথ্য ২০২৬ সালের ২২ আগস্ট পর্যন্ত টিএমএসএসের প্রকাশ্য ক্ষুদ্রঋণ তথ্য এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির প্রকাশ্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। ঋণের সেবা মাশুল, যোগ্যতা, কিস্তি ও অন্যান্য শর্ত সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট টিএমএসএস শাখার সর্বশেষ লিখিত তথ্য যাচাই করুন।

উপসংহার

টিএমএসএস এনজিও ঋণের সুদের হার বা সেবা মাশুল জানতে শুধু একটি সাধারণ শতাংশের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। ২০২৬ সালের ২২ আগস্ট পর্যন্ত মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির প্রকাশ্য তথ্যে ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে ২৪ শতাংশ সেবা মাশুলের উল্লেখ পাওয়া গেলেও টিএমএসএসের নিজস্ব পাতায় প্রতিটি ঋণপণ্যের বর্তমান হার আলাদাভাবে প্রকাশ করা নেই।

তাই ঋণ নেওয়ার আগে নির্দিষ্ট ঋণপণ্যের সেবা মাশুল, হাতে পাওয়া অর্থ, মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ এবং কিস্তির সূচি লিখিতভাবে যাচাই করুন। নিজের নিয়মিত আয় ও বিদ্যমান আর্থিক দায়ের সঙ্গে কিস্তি মানানসই কি না বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

🔥 Recommended For You

গাক এনজিও থেকে লোন নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি কি?
গাক এনজিও থেকে লোন নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি কি?
NGOAB গাইডলাইন: FD-6 এবং FD-7 ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ ও অনুমোদনের সম্পূর্ণ চেকলিস্ট
NGOAB গাইডলাইন: FD-6 এবং FD-7 ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ ও অনুমোদনের সম্পূর্ণ চেকলিস্ট
সুবর্ণা পারভীন
Author

সুবর্ণা পারভীন

সুবর্ণা পারভীন একজন তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট রাইটার ও গবেষক। তিনি বাংলাদেশের এনজিও, শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং জনসচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। নির্ভরযোগ্য তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি এই সাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্যসমৃদ্ধ ও গবেষণাধর্মী নিবন্ধ প্রকাশ করছেন।

Follow Me
Other Articles
এনজিওগুলো কিভাবে কাজ করে.png
Previous

বাংলাদেশের বড় এনজিওগুলো কিভাবে কাজ করে? (তহবিল ও কার্যক্রম)

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • টিএমএসএস এনজিও লোনের সুদের হার কত
  • বাংলাদেশের বড় এনজিওগুলো কিভাবে কাজ করে? (তহবিল ও কার্যক্রম)
  • বাংলাদেশের শীর্ষ ২০টি এনজিওর তালিকা ও পরিচিতি
  • এনজিও ও সমিতি পরিচালনার নিয়ম ও বার্ষিক রিপোর্ট
  • MRA লাইসেন্স কি এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নিয়ম
August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
« Jul    
ডিসক্লেইমারঃ আমরা কোনো এনজিও বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নই। এই সাইটের তথ্যগুলো কেবল আমরা আপনাদের জন্য সাধারণ সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি করি।
Copyright 2026 — Suggestionworld24.com. All Rights Reserved.