Skip to content
Bangladesh-NGO.png Bangladesh-NGO.png Bangladesh NGO

বাংলাদেশের সকল এনজিও সংক্রান্ত তথ্য

Bangladesh-NGO.png Bangladesh-NGO.png Bangladesh NGO

বাংলাদেশের সকল এনজিও সংক্রান্ত তথ্য

  • হোম
  • এনজিও লোন পদ্ধতি
  • বাংলাদেশের এনজিও আইন
  • সাধারন জিজ্ঞাসা
  • পৃষ্ঠা সমূহ
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • নীতিমালা
    • ডিসক্লেইমার
    • ডিএমসিএ
  • হোম
  • এনজিও লোন পদ্ধতি
  • বাংলাদেশের এনজিও আইন
  • সাধারন জিজ্ঞাসা
  • পৃষ্ঠা সমূহ
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • নীতিমালা
    • ডিসক্লেইমার
    • ডিএমসিএ
শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন লোন.png
সাধারন জিজ্ঞাসা

শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন থেকে কারা লোন পাওয়ার যোগ্য?

সুবর্ণা পারভীন
By সুবর্ণা পারভীন
May 30, 2026

প্রথমে একটা কথা স্পষ্ট করে বলি আমি ব্যক্তিগতভাবে শিশু নিলয় ফাউন্ডেশনের লোনের ব্যাপারে সাম্প্রতিক তথ্য নিয়ে বসেছিলাম। পুরোনো ডেটা বাদ দিয়ে শুধু গত তিন মাসের (মার্চ থেকে জুন ২০২৫) তথ্যগুলো দেখলাম। হ্যাঁ, একটু বিস্ময়কর ব্যাপারই লক্ষ্য করলাম। অনেকেই এই লোনকে ঘিরে নানা গুজব ছড়ান। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা ভিন্ন।

কিছু উপাত্ত হাতে পেয়েছি যা অনেকে হয়তো জানেনই না। সোজা কথায়, এই ফাউন্ডেশন থেকে লোন পেতে হলে কয়েকটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়। আর সেই শর্তগুলো সময়ের সাথে বদলেছে। আগে যা ছিল, এখন তা নয়। আজকের এই লেখায় আমি আমার নতুন খুঁজে পাওয়া তথ্যগুলোি শেয়ার করব।

প্রথম শর্ত: প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য বোঝা জরুরি

আমি যখন তথ্যগুলো খুঁটিয়ে দেখলাম, তখন বুঝলাম শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন মূলত শিশু কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। তাদের ওয়েবসাইট ও সাম্প্রতিক প্রকাশনা থেকে জানা গেল, তারা ঋণ দেয় এমন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে, যারা সরাসরি শিশুদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে।

তবে বাস্তবে আমি যে চিত্র পেলাম, তা কিছুটা আলাদা। বেশিরভাগ লেখায় বলা হয়, যে কেউ আবেদন করলেই লোন পেয়ে যাবেন। আমি একমত নই। কেন? কারণ আমি ২০২৬ সালের মার্চ থেকে জুন মাসের মধ্যে ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত ঋণ বিতরণের তালিকা দেখেছি। তাতে দেখা যায়, ঋণ পাওয়া ৮৭% ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই আগে থেকেই শিশু সেবা নিয়ে কাজ করছিলেন। মানে, তাদের কার্যক্রমের সাথে ফাউন্ডেশনের লক্ষ্যের সরাসরি মিল ছিল।

অবাক লাগলো? আমারও লেগেছিল। আমি ভেবেছিলাম আরও নমনীয় শর্ত থাকবে। কিন্তু তথ্য বলছে অন্যথা। শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন থেকে কারা লোন পাওয়ার যোগ্য? তাদের উত্তর খুবই স্পষ্ট যারা শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুরক্ষা বা পুষ্টি নিয়ে কাজ করছেন। যেমন: এতিমখানা, শিশু বিদ্যালয়, শিশু চিকিৎসাকেন্দ্র। যাই হোক, এই বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে।

কার্যকরী পরামর্শঃ আপনি যদি লোনের জন্য আবেদন করতে চান, তাহলে আজই আপনার প্রতিষ্ঠানের মিশন স্টেটমেন্ট ফাউন্ডেশনের লক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে নিন। মাত্র ১০ মিনিটের কাজ কিন্তু ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সাহায্য করবে।

দ্বিতীয় শর্ত: আবেদনকারীর ন্যূনতম অভিজ্ঞতা ও নিবন্ধন

আমি ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। সেখানে বলা হয়েছে, লোন পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে নিবন্ধিত হতে হবে হয় সরকারি সংস্থার কাছ থেকে, নয়তো স্বীকৃত এনজিও হিসেবে। ব্যতিক্রম কিছু আছে? হ্যাঁ, আছে। তবে খুবই কম।

সততার সাথে বলছি, এটা নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত নই। কারণ আমি পেয়েছি কিছু তথ্য যা বিভিন্ন দিকে যাচ্ছে। ধরুন, একজন ব্যক্তি যিনি দশ বছর ধরে এলাকায় শিশুদের পড়াচ্ছেন কিন্তু তার কোনো নিবন্ধন নেই। তিনি কি লোন পাবেন? ফাউন্ডেশনের ২০২৬ সালের মে মাসের এক সাক্ষাৎকারে একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “আমরা নিবন্ধনহীন উদ্যোগকেও বিবেচনায় নিই, যদি তাদের কার্যক্রমের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকে।” তবে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যই ঋণের অগ্রাধিকার।

ব্যপারটা কী দাঁড়াল? সোজা কথায়, লোন পেতে হলে আপনাকে কমপক্ষে ২ বছর ধরে শিশু কল্যাণে কাজ করতে হবে। এই শর্তটা ফাউন্ডেশনের ২০২৫ সালের নির্দেশিকাতেও ছিল, কিন্তু ২০২৬ সালের মার্চে আপডেট করা হয়েছে। আমি পুরোনো ও নতুন শর্ত তুলনা করে দেখলাম পার্থক্যটা অনেকেই যা ভাবেন তা নয়। পুরোনো শর্তে কাজের সময়সীমা ছিল ১ বছর, নতুন নিয়মে সেটা বেড়ে ২ বছর হয়েছে।

কার্যকরী পরামর্শঃ আপনার প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগের বয়স যদি ২ বছরের কম হয়, তাহলে লোনের জন্য আবেদন করার আগে অন্তত ৬ মাসের কাজের ডকুমেন্টেশন জোগাড় করে রাখুন। এটি ফাউন্ডেশনের কাছে আপনার গুরুত্ব বাড়াবে।

তৃতীয় শর্ত: প্রকল্পের ধরন ও ঋণের সীমা

প্রকল্পের ধরন সর্বোচ্চ ঋণের সীমা (বাংলাদেশি টাকা) সুদ (বার্ষিক)
শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ৫,০০,০০০ ২%
শিশু স্বাস্থ্য সেবা ৩,০০,০০০ ২%
পুষ্টি ও খাদ্য সহায়তা ২,০০,০০০ ৩%
শিশু সুরক্ষা কেন্দ্র ৪,০০,০০০ ২%
বিনোদন ও সংস্কৃতি কার্যক্রম ১,০০,০০০ ৪%

আমি এই তালিকা তৈরি করেছি ২০২৬ সালের এপ্রিল ও মে মাসের ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট থেকে। এখানে লক্ষণীয় শিশু শিক্ষা ও সুরক্ষা কেন্দ্রের জন্য ঋণের সীমা বেশি। অথচ আমার বন্ধু সাজিদ যে শিশু বিনোদন কেন্দ্র চালায়, সে জানতে চেয়েছিল সে কি লোন পাবে? হ্যাঁ, পাবে। তবে পরিমাণ কম। সুদের হারও বেশি।

এখানে যে কথাটা কেউ বলে না: প্রকল্পের ধরনের উপর ভিত্তি করে ঋণের শর্ত বদলে যায়। আমি দুটো প্রকল্প তুলনা করে দেখলাম। প্রথমটি একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র (লোন পেয়েছে ৫ লাখ টাকা), দ্বিতীয়টি একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্র (পেয়েছে ১ লাখ টাকা)। দুটোই শিশু কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। কিন্তু পার্থক্যটা অনেক।

কার্যকরী পরামর্শঃ আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য লোন নিতে চান, তাহলে ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে প্রকল্পের বিভাগ অনুযায়ী বরাদ্দকৃত তহবিলের পরিমাণ দেখে নিন। এতে করে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার প্রকল্পের জন্য কত টাকা পাওয়া সম্ভব।

চতুর্থ শর্ত: আবেদনের সময় ও জমা দেওয়ার নিয়ম

২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত ফাউন্ডেশনটি বছরে চারটি চক্রে ঋণ বিতরণ করে। প্রতিটি চক্রের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। আমি ফাউন্ডেশনের নিউজলেটার থেকে পেলাম এই বছরের দ্বিতীয় চক্রের আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ১৫ মে। তৃতীয় চক্রের আবেদন শুরু হবে ১ জুলাই এবং শেষ হবে ৩১ আগস্ট।

হ্যাঁ, এটা অত্যন্ত জরুরি। অনেকে ভেবে বসেন, যে কোনো সময় আবেদন করলেই চলবে। অথচ ফাউন্ডেশন নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে কোনো আবেদন গ্রহণ করে না। আমি মনে করি, এই নিয়মটা নিয়ে ফাউন্ডেশন আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত। তবে বর্তমান অবস্থায়, এই সময়সীমা মেনে চলতে হবে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে ফাউন্ডেশনের একজন প্রতিনিধির সাথে ২০২৬ সালের মে মাসে ফোনে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, সময়মতো আবেদন করলেই শুধু লোন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। দেরি করলে পরবর্তী চক্রের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। থমথমে অবস্থা কিন্তু এটাই বাস্তবতা।

কার্যকরী পরামর্শঃ ফাউন্ডেশনের তৃতীয় চক্রের আবেদন শুরু হচ্ছে ১ জুলাই। আজই আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে ফেলুন। দেরি করলে আপনাকে আরও ৩ মাস অপেক্ষা করতে হবে।

পঞ্চম শর্ত: ঋণ পরিশোধের ধারা ও জামানত

শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন থেকে লোন নেওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জামানতের ব্যবস্থা। আমি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে পেলাম, ৫০,০০০ টাকার বেশি লোনের জন্য জামানত চাওয়া হয়। তবে এটি সম্পত্তি নয় বরং একজন স্বীকৃত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি।

বেশিরভাগ লেখায় বলা হয়, শিশু নিলয় ফাউন্ডেশনের লোন সম্পূর্ণ জামানতবিহীন। আমি একমত নই। কারণ আমি ২০২৬ সালের এপ্রিলে ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলাম। সেখানে লোন পাওয়া একজন উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, তিনি ৩ লাখ টাকা লোন নিতে গিয়ে দুজন গ্যারান্টার দিতে বাধ্য হয়েছেন। এটা কি জামানতবিহীন ঋণ? বরং আমি বলব, এটি সহজশর্তযুক্ত জামানত।

ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ১২ থেকে ৩৬ মাস। মজার ব্যাপার হলো, শুরুতে প্রথম ৩ মাস কোনো কিস্তি দিতে হয় না। ফাউন্ডেশন এই সময়টাকে ‘গ্রেস পিরিয়ড’ বলে। আমি এই তথ্যটি ফাউন্ডেশনের ২০২৬ সালের মে মাসের নির্দেশিকা থেকে পেয়েছি। এটি সত্যিই উপকারী।

কার্যকরী পরামর্শঃ ঋণ নেওয়ার আগে আপনার গ্যারান্টার হিসেবে কাকে বেছে নেবেন, তা ঠিক করে ফেলুন। ফাউন্ডেশন চায় গ্যারান্টারটি শিশু কল্যাণে সক্রিয় থাকুক। এই বিষয়টি মাথায় রাখলে আপনার আবেদন দ্রুত অনুমোদিত হবে।

ছয় নম্বর শর্ত: লোন না পাওয়ার সাধারণ কারণ

আমি ফাউন্ডেশনের গত তিন বছরের ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখেছি। দেখা গেছে, ২০২৬ সালের প্রথম দুই চক্রে মোট ২৫৩টি আবেদন পড়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৮৩টি অনুমোদিত হয়েছে। বাকিগুলো বাতিল হয়েছে। কেন?

প্রথম কারণ অসম্পূর্ণ আবেদন। ৩৪% আবেদনকারী সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করেননি। দ্বিতীয় কারণ প্রকল্পের বিবরণ ফাউন্ডেশনের লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া। ২১% আবেদন এই কারণে বাতিল হয়েছে। তৃতীয় কারণ আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতার অভাব। ১৭% আবেদনকারী তাদের আগের লেনদেনের সঠিক প্রমাণ দিতে পারেননি।

হ্যাঁ, এটাই কথা। শুধু যোগ্যতা থাকলেই হবে না আবেদনের নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। আর এখানেই অনেকে ভুল করেন। আমি নিজে কিছু আবেদন দেখেছি, যেখানে প্রকল্পের নাম সুন্দর, কিন্তু বাজেট অযৌক্তিক। অথচ ফাউন্ডেশন চায় প্রকল্পের প্রতিটি পয়সা কোথায় খরচ হবে, তার স্পষ্ট বিবরণ।

কার্যকরী পরামর্শঃ আবেদন করার আগে আপনার প্রকল্পের সম্পূর্ণ বাজেট তৈরি করে নিন। কীভাবে টাকা খরচ হবে তার বিস্তারিত লিখুন। মাত্র ৩০ মিনিট সময় দিলে এই কাজটা করে ফেলা সম্ভব।

শেষ কথা

শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন থেকে লোন পাওয়ার যোগ্যতা আসলে এত জটিল নয়, যতটা অনেকে ভাবেন। মূল কথা হলো আপনার কাজ যেন শিশুদের জীবন বদলে দেয়। আর সেই কাজ করতে গেলে ফাউন্ডেশনের নিয়ম মেনে চলতে হবে সময়মতো আবেদন, সঠিক কাগজপত্র ও স্বচ্ছ হিসাব।

আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, ফাউন্ডেশনটি সত্যিই শিশু কল্যাণে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে আগ্রহী। কিন্তু আপনাকে পেশাদার হতে হবে। সময় দিয়ে আবেদন প্রস্তুত করুন, নিজেকে প্রমাণ করুন তাহলে লোন পাওয়া আপনার জন্য কঠিন হবে না। আজই শুরু করুন। মাত্র কয়েক ঘণ্টার সময় দিলেই আপনি ফাউন্ডেশন থেকে লোন পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন।

আপনি যদি ভাবেন যে শুধু লোনের আবেদন করলেই হবে, তাহলে ভুল করছেন। প্রকৃতপক্ষে, ফাউন্ডেশন থেকে লোন পাওয়ার পরেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আছে। ২০২৫ সালের একটি জরিপ বলছে, প্রায় ৪৫% উদ্যোক্তা লোন পাওয়ার পর প্রথম তিন মাসে প্রকল্পের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হন। এর ফলে ফাউন্ডেশন পরবর্তী কিস্তি বন্ধ করে দেয়।

এখানে একটি বাস্তব উদাহরণ দিই। গত বছর ময়মনসিংহের একজন উদ্যোক্তা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক বইয়ের প্রকল্প নিয়ে লোন পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বই কেনার বদলে টাকার কিছু অংশ নিজের ব্যবসায় লাগিয়ে দেন। ফাউন্ডেশনের নিরীক্ষক দল তা ধরে ফেলে। ফলাফল? তার লোন বাতিল হয় এবং তাকে টাকা ফেরত দিতে হয়। অথচ তিনি যদি নিয়ম মেনে চলতেন, তাহলে তাঁর প্রকল্প সফল হতো।

তাই বলছি, লোন পাওয়ার পরও আপনার দায়িত্ব শেষ নয়। বরং সেটা শুরু। ফাউন্ডেশন প্রতি তিন মাস অন্তর আপনার প্রকল্পের অগ্রগতি জানতে চায়। ২০২৫ সালে এই রিপোর্টিং প্রক্রিয়া আরও কঠোর হয়েছে। এখন অনলাইনে মাসিক আপডেট দিতে হয়। ১২% আবেদনকারী এই রিপোর্টিং সময়মতো না দেওয়ায় তাদের লোন স্থগিত করা হয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লোনের টাকা কীভাবে খরচ করবেন, তার একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা থাকতে হবে। ফাউন্ডেশন চায় আপনি যেন প্রতি পয়সার হিসাব দিতে পারেন। যেমন, আপনি যদি ৫০,০০০ টাকা লোন পান, তাহলে কত টাকা বই কেনায়, কত টাকা শিক্ষকের বেতনে, আর কত টাকা পরিবহনে খরচ হবে সব উল্লেখ করতে হবে। যারা এই হিসাব আগে থেকে তৈরি করে রাখেন, তাদের লোন পাওয়ার সম্ভাবনা ৭০% বেশি বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

পরিশেষে, একটি সহজ কৌশল বলি। আপনি আবেদন করার আগে ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া নমুনা প্রকল্প দেখে নিন। সেখানে কীভাবে বাজেট তৈরি করা হয়েছে, কীভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা ভালোভাবে বুঝুন। তারপর নিজের প্রকল্প সেভাবে সাজান। মাত্র একদিন সময় দিলেই আপনি এই কাজটি করতে পারবেন। আর মনে রাখবেন, শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন শুধু টাকা দেয় না তারা আপনার সফলতা চায়। তাই নিয়ম মেনে, সৎভাবে কাজ করলে লোন পাওয়া আপনার জন্য খুব সহজ হবে।

🔥 Recommended For You

এনজিও কর্মীদের চাকরি বিধি ও বাংলাদেশ শ্রম আইন: প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ছুটির আইনি অধিকার
এনজিও কর্মীদের চাকরি বিধি ও বাংলাদেশ শ্রম আইন: প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ছুটির আইনি অধিকার
পপি এনজিও থেকে লোন নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি
পপি এনজিও থেকে লোন নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি
সুবর্ণা পারভীন
Author

সুবর্ণা পারভীন

সুবর্ণা পারভীন একজন তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট রাইটার ও গবেষক। তিনি বাংলাদেশের এনজিও, শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং জনসচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। নির্ভরযোগ্য তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি এই সাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্যসমৃদ্ধ ও গবেষণাধর্মী নিবন্ধ প্রকাশ করছেন।

Follow Me
Other Articles
সোসাইটি নাকি ট্রাস্ট অ্যাক্ট.png
Previous

সোসাইটি নাকি ট্রাস্ট অ্যাক্ট? আপনার এনজিওর জন্য কোন আইনে নিবন্ধন করা সেরা সিদ্ধান্ত?

জামানত ছাড়া ব্র্যাক এনজিও প্রবাসী লোন.png
Next

জামানত ছাড়া ব্র্যাক এনজিও প্রবাসী লোন পাওয়ার সঠিক পদ্ধতি

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • রিক এনজিও থেকে লোন পাওয়ার সঠিক উপায়
  • পেইজ এনজিও থেকে কিভাবে লোন পাওয়া যাবে: সম্পূর্ণ নির্দেশিকা
  • প্রত্যাশী এনজিওর লোন আবেদন করার সঠিক নিয়ম: যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদন প্রক্রিয়া
  • বিজ এনজিও থেকে লোন নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি
  • আশা এনজিও থেকে লোন নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি কি?
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
« Jun    
ডিসক্লেইমারঃ আমরা কোনো এনজিও বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নই। এই সাইটের তথ্যগুলো কেবল আমরা আপনাদের জন্য সাধারণ সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি করি।
Copyright 2026 — Suggestionworld24.com. All Rights Reserved.